দুর্নীতির মামলার দুই আসামি, রেলের দুই ভূমিকায় মাহবুব ও রমজান

নিজস্ব প্রতিনিধি: একজন বাংলাদেশ রেলের গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি কর্মকর্তা। ১২৫টি লাগেজ ভ্যান কেনার সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রের ৩৫৮ কোটি টাকা ক্ষতির অভিযোগে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তিনি প্রধান আসামিদের একজন। বর্তমানে তিনি সরকারি রেল পরিদর্শক (জিআইবিআর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যজনও রেলের প্রভাবশালী প্রকৌশলী ছিলেন। খুলনা-মোংলা রেলপথ নির্মাণসহ একাধিক বড় প্রকল্পের পরিচালক ও রেলের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর নিজের ও স্ত্রীর নামে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার সম্পদের মধ্যে সোয়া চার কোটির বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ থাকার অভিযোগে দুদকের মামলা হয়েছে। মামলার পর চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত ও পরে চাকরিচ্যুত হয়েছেন তিনি। এখন রেলের বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছেন।

এই দুই কর্মকর্তা হলেন আহমেদ মাহবুব চৌধুরী ও মো. রমজান আলী। রেলওয়ের গত দেড় দশকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁদের দুজনেরই নাম জড়িয়ে আছে। দুজনের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির মামলা রয়েছে। তবে তাঁদের বর্তমান অবস্থান ভিন্ন।
আহমেদ মাহবুব চৌধুরী হতে চান রেলের মহাপরিচালক। রমজান আলী তাঁর সহযোগী। কারণ, রমজান আলী রেলের বর্তমান মহাপরিচালক আফজাল হোসেনকে পছন্দ করেন না। তাই আফজাল সরে গেলে মাহবুব ডিজি হবেন—এটাই তাঁর স্বপ্ন।

৩৫৮ কোটি টাকার লাগেজ ভ্যান

আহমেদ মাহবুব চৌধুরী রেলের অতিরিক্ত প্রধান মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার থাকা অবস্থায় ১২৫টি লাগেজ ভ্যান কেনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। রেলের ‘রোলিং স্টক অপারেশনস ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৭৫টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ লাগেজ ভ্যান কেনা হয় । প্রকল্পে এসব ভ্যান কেনার ব্যয় ধরা হয়েছিল ৩২৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
রেলওয়ে সূত্র বলছে, ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন লাগেজ ভ্যান কেনার আগ্রহ দেখান। তখন রেলের অধিকাংশ কর্মকর্তা আপত্তি করেছিলেন যে, এগুলো কাজে আসবে না।
এরপর তৎকালীন মহাপরিচালক শামসুজ্জামান লাগেজ ভ্যান কেনা লাভজনক হবে—এমন প্রতিবেদন তৈরির জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব দেন রেলওয়ের তৎকালীন অতিরিক্ত প্রধান মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ মাহবুব চৌধুরী এবং রেলওয়ের পরিচালক মৃণাল কান্তি বণিককে। লাগেজ ভ্যান কিনলে তা লাভজনক হবে বলে তারা প্রতিবেদন দেন। এরপরই লাগেজ ভ্যান কেনা হয়।
লাগেজ ভ্যান কেনার পক্ষে প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, কৃষক ও ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনের চাহিদা রয়েছে। সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ আয় দেখিয়ে প্রকল্পটিকে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনকও দেখানো হয়েছিল।
কিন্তু বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রেলের বহরে ১২৫টি লাগেজ ভ্যান যুক্ত হওয়ার পর সেগুলোর ব্যবহার খুবই সীমিত ছিল। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা মুনাফা দেখানো হলেও ২০২৪ সালের প্রথম আট মাসে প্রকৃত আয় হয় ৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা। দুদক বলেছে, আয়-ব্যয়ের হিসাব ছিল অবাস্তব ও বিকৃত তথ্যের ওপর দাঁড়ানো।

২০২৫ সালের নভেম্বরে দুদক এই লাগেজ ভ্যান কেনার সঙ্গে যুক্ত রেলের ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করে। তাঁদের মধ্যে প্রথম দিকেই নাম রয়েছে আহমেদ মাহবুব চৌধুরী ও রেলের পরিচালক মৃণাল কান্তি বণিকের। দুদকের অভিযোগ, ক্ষমতার অপব্যবহার, মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন, আর্থিক অনিয়ম ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ক্ষতি করা হয়েছে।

অর্থাৎ, যে প্রকল্পের মূল যুক্তিই ছিল রেলের আয় বাড়ানো, সেটিই এখন রাষ্ট্রের বিপুল অর্থের ক্ষতির অভিযোগে দুদকের মামলার বিষয়।

মাহবুব এখনো রেলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে

লাগেজ ভ্যান মামলার পরও আহমেদ মাহবুব চৌধুরী রেলওয়ের চাকরিতে রয়েছেন। ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে তাঁকে সরকারি রেল পরিদর্শক হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। রেলপথ পরিদর্শন অধিদপ্তরের সরকারি ওয়েবসাইটে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত তাঁকে এই পদে কর্মরত দেখানো হয়েছে।
এর আগে তিনি অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) পদে ছিলেন। অর্থাৎ রেলের কোচ, লোকোমোটিভসহ গুরুত্বপূর্ণ রোলিং স্টক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বেও তিনি ছিলেন। ফলে লাগেজ ভ্যান কেনার সিদ্ধান্তের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ এবং পরে রেলের কারিগরি পরিদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর দায়িত্ব—দুটি বিষয়ই একই ব্যক্তির কর্মজীবনের দুটি পর্যায়কে সামনে আনে।
মাহবুবের বিরুদ্ধে আরেক অভিযোগ
আহমেদ মাহবুব চৌধুরীর বিরুদ্ধেও রেলওয়ের কর্মকর্তা ও সরবরাহকারীদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময় তাঁর বিরুদ্ধে কমিশনের বিনিময়ে রেলের সরবরাহ ঠিকাদারদের তালিকা প্রণয়ন ও কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের আরেকটি দিক হলো, রেলের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ ও পদায়নে প্রভাবশালী মহলের ভূমিকা। মাহবুব চৌধুরী চট্টগ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যের জামায়াত-সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচিত ছিল। এ কারণে তৎকালীন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পার্থ সাহাকে সরিয়ে তাঁকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) পদে বসানো হয়েছিল-এমন অভিযোগ করেছেন রেলওয়ের কর্মকর্তাদের কেউ কেউ।

 

অন্যদিকে রমজান আলী
রমজান আলীর গল্পটি অন্য রকম। তিনিও রেলের প্রভাবশালী প্রকৌশলী ছিলেন। রেলের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী, সরকারি রেল পরিদর্শক এবং খুলনা-মোংলা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে আখাউড়া-লাকসাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের পরিচালকও হন। তাঁর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা হওয়ার পর তাঁকে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

দুদকের মামলায় অভিযোগ করা হয়, চাকরিতে থাকার সময় ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে রমজান আলী ২ কোটি ৪৩ লাখ ৮০ হাজার ২৮৬ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তাঁর সম্পদ বিবরণীতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় থাকা একটি বহুতল বাড়ির তথ্য গোপন করার অভিযোগও রয়েছে।

তাঁর স্ত্রী আগা দিলরুবা পারভীন ইলোরার বিরুদ্ধেও ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা হয়। দুদকের অভিযোগে জামালপুরে দুটি বাড়ি এবং ঢাকায় তিনটি প্লটের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

রমজান আলীর বিরুদ্ধে করা মামলায় পরবর্তী সময়ে অভিযোগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়াও এগোয়। তাঁকে সরকারি রেল পরিদর্শকের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করার আদেশও দেওয়া হয়েছিল।

এখন বয়ানদাতা রমজান

রেলের চাকরিতে থাকা অবস্থায় যিনি নিজেই দুদকের মামলার আসামি হয়েছিলেন, সেই রমজান আলী এখন রেলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বক্তব্য দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে রেলের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে। অর্থাৎ, একসময় রেলের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা এই প্রকৌশলী এখন রেলের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা একজন সাবেক কর্মকর্তা।

এখানেই মাহবুব চৌধুরী ও রমজান আলীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মিল রয়েছে। দুজনই রেলের কারিগরি ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ছিলেন। দুজনের বিরুদ্ধেই দুদকের মামলা হয়েছে। কিন্তু একজন এখনো সরকারি চাকরিতে থেকে রেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন; অন্যজন চাকরি হারিয়ে বাইরে থেকে রেলের দুর্নীতির অভিযোগ করছেন।

তাই প্রশ্ন উঠছে, রেলের বড় প্রকল্প ও কেনাকাটায় যেসব কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তাঁদের জবাবদিহি কতটা নিশ্চিত হয়েছে। আরও বড় প্রশ্ন, একই প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মকর্তা দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পরও কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন এবং অন্যজন কেন চাকরি হারান—এই দুই ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিই বা কী?

ব্যক্তির বাইরে যে প্রশ্নটি বড়

লাগেজ ভ্যান কেনার ঘটনায় দুদকের অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাষ্ট্রের কয়েক শ কোটি টাকা ব্যয়ের সিদ্ধান্তের পেছনে কারা ছিলেন, তাঁদের দায় কতটা—সেটি আদালতেই নির্ধারিত হবে। একইভাবে রমজান আলীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগের বিচারও আদালতের বিষয়।

কিন্তু এই দুই ঘটনা রেলের একটি বড় দুর্বলতাকে সামনে আনে—প্রকল্প নেওয়ার আগে বাস্তব চাহিদা যাচাই, প্রকল্প বাস্তবায়নের পর ফলাফল মূল্যায়ন এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির ঘাটতি ।

১২৫টি লাগেজ ভ্যান কেনার আগে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছিল। কাগজে-কলমে লাভের হিসাবও ছিল। কিন্তু পরে সেগুলোর বড় অংশ পড়ে থাকে। আবার বড় প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা একজন প্রকৌশলীর নিজের ও পরিবারের নামে বিপুল সম্পদের হিসাব নিয়ে দুদকের প্রশ্ন ওঠে।

দুই কর্মকর্তা, দুই অভিযোগ এবং দুই ভিন্ন পরিণতি—কিন্তু দুটির মধ্যেই প্রশ্নটি একই: রেলের হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প ও কেনাকাটায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কর্মকর্তাদের জবাবদিহি আসলে কোথায়?

রমজান আলীর পেছনে প্রভাবশালী আত্মীয়
রমজান আলীর উত্থানের পেছনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মহলের প্রশ্রয় ছিল বলে রেলওয়ের কর্মকর্তাদের কেউ কেউ অভিযোগ করেন। তিনি সাবেক রেলপথসচিব সেলিম রেজার আত্মীয়। সেলিম রেজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিএস) ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অবসরে যাওয়ার পরও শেখ হাসিনা তাঁকে তথ্য কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেন।
রেলওয়ের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, সেলিম রেজার প্রভাবের কারণে রমজান আলী রেলওয়েতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ও মামলা থাকার পরও দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক সুরক্ষা পেয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি যাওয়ার পরও তিনি মেট্রোরেল প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ পান বলে রেল কর্মকর্তাদের কেউ কেউ জানিয়েছেন।
রমজান আলীর বিরুদ্ধে এর আগে করা মামলাগুলোর একটি পর্যায়ে তাঁর চাকরি চলে যায়। এরপরও আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি মেট্রোরেল-সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত থাকার সুযোগ পান-এমন অভিযোগও রয়েছে। রেলওয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো দীর্ঘ সময় বড় কোনো পরিণতিতে যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে আহমেদ মাহবুব চৌধুরী বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। লাগেজ ভ্যানের সম্ভাব্যতা যাচাই কারিগরি ও দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, এতে কোনো একক সিদ্ধান্ত বা অনিয়ম হয়নি।”
​অন্যদিকে মো. রমজান আলী বলেন, “আমাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে। আমার সব সম্পদ বৈধ আয়ের উৎস থেকে অর্জিত। রেলে বর্তমানে যে অনিয়ম চলছে, একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমি তার প্রতিবাদ করছি।”

শিরোনাম

Chief Editor

Johny Watshon

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip ex ea commodo consequat. Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur

Quick Links