‘ক্লাব কাপ তায়কোয়ানডো’: রাজশাহী তায়কোয়ানডো একাডেমির ঝুলিতে একাধিক পদক

ক্রীড়া প্রতিবেদক: ঢাকার মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পর্দা নামল ‘ক্লাব কাপ ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৬’-এর। মোহাম্মদপুর তায়কোয়ানডো ক্লাবের আয়োজন ও বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই জাতীয় প্রতিযোগিতায় নজরকাড়া সাফল্য দেখিয়েছে ‘রাজশাহী তায়কোয়ানডো একাডেমি’। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সিনিয়র, জুনিয়র ও পুমসে ক্যাটাগরিতে একঝাঁক পদক নিজেদের ঝুলিতে পুরেছেন একাডেমির তরুণ অ্যাথলেটরা।


​দলের এমন ঈর্ষণীয় সাফল্যের পেছনে মাস্টারমাইন্ড হিসেবে কাজ করেছেন কোচ গোলাম সাকলাইন। আর পুরো দলকে সুসংগঠিত রাখতে টিম ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন নাঈমুর রহমান নাঈম।

​রিপন-কেফায়াতদের ফাইটিং নৈপুণ্য:

​প্রতিযোগিতার সিনিয়র পুরুষদের ফাইটে -৬৩ কেজি ওজন শ্রেণিতে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে স্বর্ণপদক জয় করেন রিপন মন্ডল। একই ইভেন্টের -৬৮ কেজি ক্যাটাগরিতে দুর্দান্ত লড়াই করে রৌপ্য পদক পান তানভির।
​জুনিয়র পুরুষ ফাইটে রাজশাহীর হয়ে একমাত্র স্বর্ণটি আসে -৪৭ কেজি ক্যাটাগরিতে কেফায়াত হাবিবের হাত ধরে। এ ছাড়া শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলে তাম্র (ব্রোঞ্জ) পদক অর্জন করেন আরিয়ান (-৩৯ কেজি), আবদুল্লাহ (-৪৮ কেজি) এবং আফিফ (-৫৩ কেজি)।

​মেয়েদের ক্যাটাগরিতে মাধুর্যের রাজত্ব:

​জুনিয়র মেয়েদের ফাইট ইভেন্টে উজ্জ্বল ভূমিকা রাখেন মাহিমা ইসলাম মাধুর্য। -৫০ কেজি ওজন শ্রেণিতে প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করে স্বর্ণপদক জিতেন তিনি। এ ছাড়া আলিশা (-২৭ কেজি) ও রামিন হোসেন (-৪০ কেজি) রৌপ্য পদক নিশ্চিত করেন। আর আফিয়া আঞ্জুম (+৫৬ কেজি) ও অনুভা (-৪৫ কেজি) পান ব্রোঞ্জ পদক।

​পুমসে ইভেন্টে একচ্ছত্র আধিপত্য:

​ফাইটের পাশাপাশি পুমসে (একক ও যুগল) ক্যাটাগরিতেও আধিপত্য বিস্তার করেন রাজশাহী তায়কোয়ানডো একাডেমির খেলোয়াড়েরা। একক পুমসে বিভাগে দুর্দান্ত কারিগরি প্রদর্শনীর মাধ্যমে নিজ নিজ ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক জিতে নেন মাহিমা ইসলাম মাধুর্য, আফিফ, তাহিরা ও তায্যিব। এই বিভাগে আফিয়া ও অনুভা রৌপ্য এবং কাব্য লাভ করেন ব্রোঞ্জ পদক।
​অন্যদিকে, যুগল পুমসে (প্যায়ার পুমসে) ইভেন্টে চমৎকার সমন্বয় দেখিয়ে আফিফ ও মাধুর্য জুটি দলকে এনে দেন আরও একটি স্বর্ণপদক।

​উচ্ছ্বসিত রাজশাহীর ক্রীড়াঙ্গন:

​প্রতিযোগিতায় নিরপেক্ষ ও বিশ্বমানের ম্যাচ পরিচালনায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অফিশিয়াল রেফারিগণ। সুষ্ঠু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই আসরে রাজশাহীর অ্যাথলেটদের এই বিশাল পদক জয় স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে। ক্রীড়ামোদী মহলের মতে, জাতীয় পর্যায়ের এই সাফল্য রাজশাহীর উদীয়মান তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়দের ভবিষ্যতের পথচলায় দারুণ প্রেরণা জোগাবে।

শিরোনাম

Chief Editor

Johny Watshon

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip ex ea commodo consequat. Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur

Quick Links