জন্মদিনের পোশাক নিয়ে যা বললেন পরীমনি

আভা ডেস্কঃ ২৯ বসন্ত পার করে ৩০–এ পা রাখলেন পরীমনি। শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে জন্মদিন উদযাপন করেন তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে এবার এই নায়িকার জন্মদিন উদযাপনের উচ্ছ্বাস ছাড়িয়ে গেছে সব অতীত। আয়োজনের অভিনবত্বেও ছিল নতুনত্ব।

এ দিন অতিথিদের সামনে পরীমনি হাজির হয়েছিলেন বিমানবালার পোশাকে। নেটিজেনদের আলোচনা-সমালোচনায় বড় জায়গা করে নিয়েছে এই পোশাক। কারণ শরীরের ঊর্ধ্বাংশের পোশাক বিমানবালার হলেও নিম্নাংশের পোশাক তেমন ছিল না। যদিও অনুষ্ঠানস্থল সাজানো হয়েছিল বিমানের ককপিটের আদলে।

শরীরের নিম্নাংশের পোশাক নিয়েই বেশি ট্রলের শিকার হচ্ছেন পরীমনি। কেউ পোশাকটিকে বলছেন লুঙ্গি, কেউ বলছেন ধুতি। তবে যে যাই বলুক পোশাকে যে ফিউশন ঘটানো হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। এই পোশাকের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায় ভারতের তামিল অধিবাসীদের লুঙ্গির সঙ্গে। স্থানীয় ভাষায় যাকে বলে ভেশতি। পোশাকটি পরার ধরন কেরালার পুরুষদের লুঙ্গির ধরনের সঙ্গে মেলে। কেরালার পুরুষরা লুঙ্গির কাপড়ের নিচের অংশ ভাঁজ করে গুটিয়ে নিয়ে কোমরে বাঁধেন। পরীমনিও এ দিন এভাবে পোশাকের নিচের অংশ গুটিয়ে কোমরে বেঁধেছিলেন। অন্যদিকে স্কটল্যান্ডের স্থানীয় ঘাগড়া দেখতেও অনেকটা লুঙ্গির মতো।

তবে বিমানবালাদের জন্য প্রচলিত পোশাক সম্পর্কে কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক একটি নিবন্ধে বলেছেন: ‘বিমানবালাদের আকাশে উড্ডীয়মান পোশাক যেটা সত্যিকার অর্থে আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের সাথে একেবারে বেমানান। এমনকি বিদেশে উড্ডীয়মান বাংলাদেশী বিমানবালার জন্যেও বেমানান। কারণ এই পোশাক আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না।’

ফলে স্বাভাবিকভাবেই বলা যায়, পরীমনি জন্মদিনে যে পোশাক পরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন তা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করে না। অবশ্য জন্মদিনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এমন পোশাক পরতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এমন পোশাকের ধারণা পরীমনি পেলেন কীভাবে?

এ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘বার্থ ডের ড্রেস আমি নিজেই পছন্দ করেছি। এটার আলাদা কোনো নাম নেই। কোনো ডিজাইনারও পোশাকটি বানায়নি। অনুষ্ঠানটি ঘরোয়া ছিল, তাছাড়া আমি তো আর সত্যি সত্যি ককপিটে বসে ফ্লাই করবো না। যে কারণে পোশাকের ক্ষেত্রেও কোনো রুলস মেনে করা হয়নি। জাস্ট পছন্দ হয়েছে পরেছি।’ রাইজিং বিডি সুত্রঃ

Next Post

সম্প্রদায়িক হামলাঃ থলের বিড়াল বেড়িয়ে গেছে-কাদের

বুধ অক্টো. ২৭ , ২০২১
আভা ডেস্কঃ সাম্প্রদায়িক হামলার নেপথ্যে কারা জড়িত সেই ঘটনায় ‘থলের বিড়াল বেরিয়ে আসছে’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘করোনাকালীন শিল্প ও বাণিজ্য উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনা’ শীর্ষ এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি। […]

এই রকম আরও খবর

Chief Editor

Johny Watshon

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip ex ea commodo consequat. Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur

Quick Links