সিংগাপুরের পথে ট্রাম্প ও কিম।

শেয়ার করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন

ট্রাম্প ও কিম

বিদেশ ডেস্ক : ১২ জুন অনুষ্ঠিতব্য ঐতিহাসিক বৈঠকে যোগ দিতে সিঙ্গাপুরের পথে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উন। রবিবার (১০ জুন) অল্প কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে দুই নেতারই সিঙ্গাপুর পৌঁছানোর কথা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে।

আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরের সান্টোস দ্বীপে মিলিত হওয়ার কথা রয়েছে কিম এবং ট্রাম্পের। অপেক্ষাকৃত নিরাপদ এবং সুবিধাজনক স্থান বিবেচনায় বৈঠকের স্থান হিসেবে সিঙ্গাপুরকে বেছে নেওয়া হয়। পৃথিবীর অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে সিঙ্গাপুরে একইসঙ্গে উত্তর কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডায় জি সেভেন সম্মেলনে যোগ দেওয়া শেষে শনিবার (৯ জুন) সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ট্রাম্প ও তার সফরসঙ্গীরা। হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রবিবার রাত ৮:৩৫ মিনিটের দিকে তাদের সিঙ্গাপুরের পায়া লেবার বিমানঘাঁটিতে পৌঁছানোর কথা। সেখান থেকে শাংরি লা হোটেলে যাবে মার্কিন দলটি। ট্রাম্পকে বহনকারী এয়ারফোর্স-ওয়ান বিমানে থাকবেন- মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও, জাতয়ি নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন, হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ জন কেলি ও হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি সারাহ স্যান্ডার্স।

দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়নহাপকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানায়, এক দশকের পুরনো ব্যক্তিগত বিমান আইএল-৬২ তে চেপে রবিবার সকালে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন কিমও। এদিন দুপুরে সিঙ্গাপুরে পৌঁছানোর কথা তার। কিমকে বহনকারী বিমানটি চেঙ্গি বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

পিয়ংইয়ং থেকে ছেড়ে যাওয়া একটি সরাসরি ফ্লাইট শনিবার সিঙ্গাপুরে অবতরণ করেছে। গুঞ্জন রয়েছে, কিমের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কিম চ্যাং সনসহ উত্তর কোরীয় কর্মকর্তাদের একটি দল আগেই সিঙ্গাপুর পৌঁছে গেছেন।

উৎস news.com

Next Post

বাড়ানো হয়েছে ফেরির সংখ্যা, তবুও চাপ বাড়ছে।

সোম জুন ১১ , ২০১৮
শেয়ার করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুনআভা ডেস্ক: সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গাড়ির সংখ্যা বাড়ে। আর এ চাপ বাড়লেই যানজট সৃষ্টি হয় মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে। ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় গত শুক্রবার। সপ্তাহখানেক আগের এই যানজট ভয় জাগিয়েছে- ঈদযাত্রায় যখন গাড়ির সংখ্যা কয়েক গুণ বাড়বে, কী হবে তখন! দুর্ভোগ […]

এই রকম আরও খবর

Chief Editor

Johny Watshon

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip ex ea commodo consequat. Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur

Quick Links