মোসাদ্দেকের ৫, দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সেরা

শেয়ার করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন

আভা ডেস্কঃ লম্বা সময় ধরে ছিলেন জাতীয় দলের বাইরে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের মধ্য দিয়ে তিন বছর পর ডাক পড়ে আবার জাতীয় দলে। সেই সিরিজে তেমন কিছু করতে পারেননি জাতীয় দলের স্পিন অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

শ্রীলঙ্কার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও খুব একটা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারেননি। সফলতা ছিল না জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও। কিন্তু সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের শুরু থেকেই নিজের স্পিন ভেলকিতে নাস্তানাবুঁদ করে দেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের।

দলীয় ৩১ রানে জিম্বাবুয়ের হারানো পাঁচ উইকেটের সবকটিই ঝুলিতে পুরেছেন মোসাদ্দেক। নিজের চার ওভারের স্পেলে তিনি দিয়েছেন ২০ রান। ঝুলিতে পুরেছেন পাঁচ উইকেট।

এর সুবাদে ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট শিকার করেন ডানহাতি এই স্পিন অলরাউন্ডার।

মোসাদ্দেকের শুরুটা হয় ইনিংসের প্রথম বল থেকেই। তার ওয়াইড লেন্থের বল বড় শটে পরিণত করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে সোহানের হাতে ধরা দেন রেগিস চাখাবা।

সেই ওভারের শেষ বলে মাহেদী হাসানের হাতে ধরা দিয়ে মাঠ ছাড়েন ওয়েসলি মাদেভেরা। মাঠ ছাড়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৪ রান।

নিজের দ্বিতীয় ওভারে আরও একটি উইকেট তুলে নিয়ে রোডেশিয়ানদের প্রবল চাপে ফেলেন সৈকত। এবারে তার শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক ক্রেইগ আরভেইন।

পঞ্চম ওভারে আবারও বল হাতে মোসাদ্দেক। ওভারের চতুর্থ বলে ফেরান শেন উইলিয়ামসকে। ৮ রানে ফেরার সময় জিম্বাবুয়ের দলীয় রান ছিল ৫ ওভারে চার উইকেটে ২০।

জিম্বাবুয়ের শিবিরে ম্যাচের সপ্তম ওভারে আবারও আঘাত হানেন মোসাদ্দেক। ডানহাতি এই স্পিনারের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে হাসান মাহমুদের হাতে ধরা দেন মিল্টন শুম্বা। আর তাতেই ক্যারিয়ারের সেরা বলিং ফিগারের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পাঁচ উইকেটের দেখা পান মোসাদ্দেক।

বাংলাদেশের বোলারদের ভেতর চতুর্থ বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেট নেন সৈকত।

প্রথম পাঁচ উইকেট শিকারী ও টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সেরা বোলিং ফিগার ইলিয়াস সানির।

২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ৫ উইকেট নেন এই স্পিনার। বিপরীতে তিনি দেন ৩.২৫ ইকোনোমি রেটে ১৩ রান। সেই ম্যাচে জয় পেয়েছিল টাইগাররা।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে পাঁচ উইকেট নেন বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। ২০১৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি ২২ রানের খরচায় ঝুলিতে পুরেছিলেন ৫ উইকেট। যদিও সেই ম্যাচে জয়ের দেখা মেলেনি লাল-সবুজ জার্সিধারীদের।

এরপর এই ক্লাবে নাম লেখান সাকিব আল হাসান। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২০ রানের খরচায় ৫ উইকেট ঝুলিতে পুরেছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের এই পোস্টারবয়।

২০২২ সালে এসে এই তালিকায় নাম লেখালেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২০ রান দিয়ে ৫ উইকেট শিকার করেন তিনি।

ইনিংসের ১৫ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৮৭ রান।

Next Post

সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশযাত্রা বন্ধে রিট

রবি জুলাই ৩১ , ২০২২
শেয়ার করতে নিচের বাটনে ক্লিক করুনআভা ডেস্কঃ সরকারি আদেশ অমান্য করে কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশযাত্রা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রোববার রিটটি করেন এ এস এম আল সনেট নামের এক ব্যক্তি। তার পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। রিটকারী আইনজীবী সুমন বলেন, ‘সরকারি […]

এই রকম আরও খবর

Chief Editor

Johny Watshon

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip ex ea commodo consequat. Duis aute irure dolor in reprehenderit in voluptate velit esse cillum dolore eu fugiat nulla pariatur

Quick Links